ও কেমন বাবা, মেয়ের প্রেমের বিয়েকে মানতে চাই না!

0
365

তারা নিউজ ডেস্ক : ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে উপস্থিত হলেন প্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশের একজন নাগরিক লিমা সাহা (২৮) ও তার বৈধ স্বামী সৈকত পালকে (৩২) নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে। লিমা সাহা অত্যন্ত ব্যতিত কন্ঠে বললেন-বিগত ২৪/০৫/২০১৮’তে স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে কোর্ট রেজিষ্ট্রির মাধ্যমে হিন্দু রীতি অনুযায়ী মন্দিরে গিয়ে সৈকত পালকে বিয়ে করি। কিন্তু সেই বিয়ের জ্ঞাত শত্রু হিসেবে দাঁড়ালেন আমার জন্মদাতা পিতা সুরেশ তেলের স্বত্ত্বাধিকারী সুধীর সাহা। তিনি অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার স্থানীয় মন্ত্রী, সাংসদ, মেয়র থেকে শুরু করে সকল প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের প্ররোচিত করে আমার জীবনকে অনিশ্চিয়তার দিকে ধাবিত করলেন। এমনকি আমার পিতার সুধীর সাহা এক পর্যায়ে বললেন- “এখনও সময় আছে তুই ঐখান থেকে চলে আয়, অন্যথায় আমি তোর জামাইকে মেরে ফেলব, তোর শ্বশুড় বাড়ীর প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং তাদের রাস্তায় এনে দাঁড় করাব”। উল্লেখিত কথাগুলি থেকেই বুঝা যায় সুধীর সাহা মেয়ের কত বড় শত্রু। অসহায়, নিরুপায়, সামাজিক ও আর্থিকভাবে দুর্বল একজন নারী লিমা সাহা নিরুপায় হয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সমাজ, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের নারী প্রধানমন্ত্রীর নিকট সাহায্যের আবেদন জানালেন। কিন্তু সকল বৈধতা থাকা স্বত্ত্বেও লিমা সাহা ও তার স্বামী সৈকত পাল মিথ্যা মামলা, হুমকি-ধমকি, অপহরণ ও অবরুদ্ধ জীবনের দিনে ধাবিত করলেন। এমনকি একজন স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা নারী আবেগ আপ্লুত ও কান্না জড়িত কন্ঠে তাঁর জন্মদাতা পিতা সুরেশ তেলের স্বত্ত্বাধিকারী সুধীর সাহার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানালেন। আর এ আহবানে সমাজের কে সাড়া দেয় সেটাই এখন সময়ের ব্যাপার। অধিকন্তু রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে সুধীর সাহাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কারণ সে পিতা হয়ে মেয়ের জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দের বিরুদ্ধে কাঁটা হয়ে দাড়ালেন। এরই ফলশ্রুতিতে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে বাধ্য হলেন।

LEAVE A REPLY