ডিপিডিসির লাইনম্যান কর্মরত থাকিয়া জামায়াত শিবির বিএনপি’র গুপ্তচর এই জহির এখন শত কোটি টাকার মালিক

0
10

তারা নিউজ ডেস্ক:
ডিপিডিসি আবদুল গণি রোড এর লাইনম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম, পিতা- মোঃ আবুল বাসার, গ্রাম- সংহাই, থানা- শাহরাস্তি, জেলা-চাঁদপুর। বর্তমানে ডিপিডিসির স্টাফ কোয়াটার পরীবাগ, হাতিরপুলে থাকেন। এই জহিরুল ইসলাম প্রথমে ডিপিডিসির অফিসে পিয়নের কাজ করতেন। আর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক শ্রমিক দলের নেতা নজরুল ইসলামের বাসায় কাজ করতেন। চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করিয়া এই জহিরুল ইসলামকে ডিপিডিসিতে চাকুরী দেন। জহিরুল ইসলাম কর্মরত থাকিয়া ডিপিডিসি অফিসে তৎকালী বিএনপির লোকজনের সহযোগিতায় শত শত কোটি টাকা লোপাট করেন। লোপাটের অংশ বিএনপি জামায়াত শিবির রা নিতেন এর সিংহভাগ জহির কে দেওয়া হতো। বর্তমানে তার নামে বে নামে প্রায় ১০টি ফ্ল্যাট বাড়ী আছে। এবং ঢাকা বঙ্গবাজার এনেক্স মার্কেটে তার রয়েছে ১০টি দোকানঘর। তারা বাবা একজন রিক্সা চালক ছিলেন। একথায় বলা যায় ডিপিডিসির ট্রান্সমিটারের তামার তার লট হিসেবে বিক্রি করে থাকেন। এমনকি চাকুরী যোগদানের যে শিক্ষাগত যোগ্যতা দেওয়া হয়েছে তাহাও জাল। রমনা জোনে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে নারিন্দা, ঢাকা এলাকায় আছেন এবং কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলেন কখনো বলে, নারায়নগঞ্জ, কখনো বলে গুলিস্তান এলাকায়। আসলে তিনি ডিপিডিসির প্রধান কার্যালয়ে থাকেন এবং বিএনপির গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেন। তাহার একাধিক মোবাইল নাম্বার রয়েছে তারমধ্যে যেমন-০১৮১৫৪৬১২৫১,বিএনপির সকল আন্দোলনের শাহবাগ এলাকা তথা তার নিজ এলাকায় শাহরাস্তিতে জামায়াত শিবির গোপনে অর্থ দিয়ে থাকেন। জ¦ালাও পোড়াও আন্দোলনের সময় যে সব সরকারি বেসরকারি সম্পদ ক্ষতি সাধন হয়েছে তার মদদ দাতা এই জহির। বিএনপির গোপনে এই ডিপিডিসির কর্মচারীকে দিয়ে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সন্ত্রাসীদের অর্থ দেন। তাহাকে জিজ্ঞাসা করলে সকল তথ্য উৎঘাটন হবে। আজ ১৪ মার্চ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন ও মহাপুলিশ পরিদর্শক এবং চেয়ারম্যান ডিপিডিসির বরাবরে পৃথক পৃথক অভিযোগ দেওয়া হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বহাল তবিয়তে আছেন এই জহিরুল ইসলাম।

LEAVE A REPLY