(DHMS – Diploma in Homeopathic Medicine and Surgery & BHMS – Bachelor in Homeopathic Medicine and Surgery)
‘জ্ঞানার্জন’ মানুষের মৌলিক অধিকার সমূহের একটি। কারো জন্যই একাডেমিক ভাবে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ বন্ধ হওয়া বা বন্ধ থাকা ঠিক নয়। অনেক সময় অনেক কারণে অনেকের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। যাতে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে না যায় সে জন্যই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃষ্টি। মাঝে মাঝে সম্মানিত ডিএইচএমএস ডাক্তারদের ব্যাপারে লেখালেখি দেখি, কেন যেন তাদের উচ্চতর পড়াশোনার সুযোগ থেমে আছে। আমাদের ডিএইচএমএস ডাক্তারগণ যদি উচ্চতর পড়াশোনা করে নিজেদের আরও একাডেমিক দিক দিয়ে ডেভেলপ করতে পারেন তাহলে চিকিৎসা ও পেশাগত ক্ষেত্রে আরো অবদান রাখতে পারেন। যদিও আমাদের দেশে অনেক ডিএইচএমএস ভাল ডাক্তার আছেন, তারা অনেক জ্ঞান রাখেন এবং জ্ঞান অর্জন/চর্চা করেন। বিএইচএমএস প্রথমে চালুই তো করেন ডিএইচএমএস এক্সপার্ট ডাক্তারগণ, তাদের হাতেই প্রথম বিএইচএমএস ডাক্তার তৈরি। উচ্চতর পড়াশোনার আসলে কোন বিকল্প নেই এবং কোনভাবেই বন্ধ থাকা উচিত নয়, তাই আমার মতে- ডিএইচএমএস কোর্স সাড়ে চার বছরের (ইন্টার্নি সহ), যদি এর সাথে আরও দেড় বছরের কোর্স যোগ করা হয় অর্থাৎ এক বছর পড়াশোনা + ছয় মাসের ইন্টার্নি, মোট দেড় বছর পড়াশোনা শেষ করে বিএইচএমএস ডিগ্রী অর্জন করার সুযোগ দেওয়া উচিত (যারা অন্তত: HSC পাশ, অন্যদের ক্ষেত্রে সময় অন্যরকম হতে পারে) , যাতে করে তারা আরও উচ্চতর পড়াশোনা করতে পারে।
এই পড়াশুনাটুকু করার জায়গা হতে পারে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বা অন্য যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে। এজন্য সরকার, বোর্ড, সম্মানিত ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস ডাক্তারগন এবং সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে একটা উদ্যোগ নিলেই সম্ভব। এটা খুব উচিত, খুবই উচিত।এই ব্যাপারটি বাস্তবায়ন এর জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ধন্যবাদ।- সৈয়দ বাহার উদ্দিন জামাল।

LEAVE A REPLY