ভাড়াটিয়াদের অধিকার সংরক্ষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

0
7

তারা নিউজ ডেস্ক:

দেশে প্রচলিত ভাড়াটিয়া আইন থাকলেও বাড়ির মালিকরা তা উপেক্ষা করে তাদের খেয়াল-খুশী মতো প্রতি বছর ৩০-৪০% ভাড়া বৃদ্ধি করার ফলে ভাড়াটিয়াদের নাভিশ^াস উঠছে। বাড়ীর মালিকদের অমানবিক আচরনে প্রতিনিয়ত অপমানিত ও নাজেহাল হয়ে আসছে। ভাড়াটিয়ারা বাড়ীর মালিকদের আচরণে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

৮ অক্টোবর সকালে রাজধানীর নির্মল সেন হলে উপরোক্ত অভিযোগ করেন ভাড়াটিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মো. বাহারানে সুলতান বাহার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সাথে প্রতিযোগিতা করে বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধি একটি বিবেকহীন অমানবিক সিদ্ধান্ত। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সাথে বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধির কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। এ ব্যাপারে তিনি সরকার বা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া বাসার সামনে টানিয়ে রাখাসহ ৭ দফা দাবি পেশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাহার আরও বলেন, এক জরিপে দেখা গেছে যে, রাজধানীতে বসবাসকারীদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশী মানুষ ভাড়া থাকে। বাড়ীর মালিক মাত্র ১০ ভাগ কিন্তু ১০ জনের কাছে শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ জিম্মি।

ভাড়াটিয়া পরিষদ আগামী ১ নভেম্বর ২০১৯ইং তারিখে থেকে রাজধানীতে জরিপ পরিচালনা শুরু করাসহ সিটি কর্পোরেশন এর মেয়রের সাথে মতবিনিময় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

১) সরকার বা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত (প্রতি বর্গফুট) ভাড়া বাসার গেইটে টাঙিয়ে রাখা।
২) সিটি কর্পোরেশন ভাড়াটিয়াদের মাধ্যমে প্রকৃত ভাড়া জেনেই ট্যাক্স নির্ধারণ ও আদায় করবে।
৩) বাড়িভাড়ার চুক্তি অবশ্যই থাকা।
৪) ভাড়াটিয়াদের ভাড়ার রসিদ প্রদান বাধ্যতামূলক করা।
৫) গ্যাস, পানি কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগে কোনো অনিয়ম না করা।
৬) ব্যাচেলদের জন্য ৩০% কোটা রাখতে হবে।
৭) ভাড়াটিয়ার স্বার্থ সংরক্ষণ করতে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খাতুনে জান্নাত ফাতেমা খানম, মো. মোস্তফা, মো. শামিম, আবুল কালাম আজাদ, মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।

LEAVE A REPLY