ভয়ংকর এক অপরাধী , অপরাধ তার পেশা ও নেশা , তার সহযোগী তার দুই ছেলে ও স্ত্রী আর প্রবাসী এক মেয়ে, এছাড়াও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রয়েছে কিছু সন্ত্রাসী ও দালাল এর অপরাধ গ্যাং

0
12

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

শেষ হউক আজিত ডাকাত ও তার সন্ত্রাসী দুই ছেলের অপরাধের জগত , ন্যায় বিচার পাক নিরীহ অসহায় নর – নারী ।

রূপকথার দস্যুকেও হাঁর মানায় তার অপরাধ,  এখনও চলছে তার অপরাধ বিরামহীন,  গ্যাং আর দুই ছেলে কে নিয়ে, স্ত্রী ও মেয়ে ছাড়াও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রয়েছে কিছু সন্ত্রাসী ও দালাল। আর নাম আজিত ওরফে আজিত ডাকাত, দুই ছেলে ছিনতাই আরিফ ও চুরা ফরিদ, গ্রাম- দরি সাখুয়া, ডাক- সাখুয়া, থানা- ত্রিশাল, জেলা- ময়মনসিংহ, আজিত শৈশব কাল থেকেই চুরি পেশায় অবস্থ এরপর চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরন, ধর্ষণ, হত্যা, নারী ও শিশু ধর্ষণ ও পাচার , মাদক, অস্ত্র, ঝাল দলিল, ঝালনোট,হেন কোন অপরাধ নেই যে যা সে করেনি বা করছেনা । তার এই বিশাল জগতে তার সহযোগী তার দুই ছেলে ও স্ত্রী আর তার প্রবাসী এক মেয়ে ।এছাড়াও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রয়েছে কিছু সন্ত্রাসী ও দালাল এর অপরাধ গ্যাং।খুব সূক্ষ্ম ও শীতল তার অপরাধ পদ্দতি।  এলাকায়  ঘুরে ও বিভিন্ন ভুক্তভুগির সাথে  কথা বলে জানা যায় , তার প্রথম লক্ষ্য নিরীহ অসহায় নারী,পুরুষ,শিশু, নির্জন স্থান, নির্জন বাড়ি, আর ব্যাস্ত নগর ও শহরে আছে তার অপরাধী গ্যাং আর তার দুই ছেলে আর প্রবাসে আছে এক মেয়ে , আছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রয়েছে কিছু সন্ত্রাসী ও দালাল। এই পর্যন্ত তার বিরুধ্যে কয়েক ডজন মামলা হয়েছে, গ্রেফতার ও কারাভোগ করেছে সতের বার, তেরটি মামলায় বাদীর হদিস না থাকায় তার শেষ অজানা, একুশবার বাদীকে অর্থ দিয়ে আপোষরফা, অসংখ্যবার সন্ত্রাসী ও দালাল দিয়ে হুমকি ও মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে বাদীকে নিবৃত করা । দিনের পর দিন কৌশল আর ধরন পালটিয়ে করে যাচ্ছে অপরাধ, গড়েছে অঢেল সম্পদ আর টাকা । তার ভাষ্য সে আড়াই শত কুটি টাকা বিশ একর জমির মালিক। কিভাবে একজন পেশাদার অপরাধী এত অর্থ –সম্পদের মালিক হল! তবে আর বিস্ময়কর তার অপরাধের ধরন ও পদ্দতি। বিভিন্ন সময় পুলিশ রিমান্ড, আদালত ও গ্রাম্য সালিসে বাদীপক্ষের বক্তব্যে তা প্রকাশ পায়। নারী ধর্ষণ ও পাচারের ক্ষেত্রে সে খুজ নেয় এতিম ,হতদরিদ্য, বিবাহ উপযুক্ত কোন মেয়ে, অর্থের অভাবে দরিদ্র্য পিতা তাকে বিয়ে দিতে পারছেনা বা সংসারে আপন কেউ নেই এমন কোন অভাগা নারীকে। এরপর তাকে বিয়ে দেয়া বা সৌদি আরবে তার মেয়ের কাছে পাঠানোর কথা বলে ঐ অসহায় পিতা বা মেয়ের কোন অবলম্বন থাকলে তা নিজের করায়ত্ত্য করে।উদাহরনসরূপ, শরিফা বেগম, পিতা- মৌলানা শামসুদ্দিন আহম্মদ, গ্রাম- বাবুপুর,থানা- ত্রিশাল- জেলা- ময়মনসিংহ, হতদরিদ্র এই মৌলানার মেয়ে শরিফা কে বিয়ের ঘটক সেজে খালি বাড়িতে ধর্ষণ করে, এরপর সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলে, আজিত শরিফা কে তার মামার সাথে বিয়ে দেয়, তার মামার সাথে বিয়ের পর অসময়ে শরিফা কন্যা সন্তান জন্ম দিলে, বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয় ও আজিতের নামে মামলা হয়। আজিত শরিফা কে কন্যা সন্তান সহ নিজ জিম্মায় নিবার কথা বলে উকিলের মাধ্যমে মৌখিক আপোষ করে, এর পর আজ আবদি শরিফা ও তার কন্যার কোন সন্ধান নেই, এর কিছুদিন পর শরিফার পিতা মারা যায় ফলে মামালার কোন হদিস থাকেনা,অনেকে বলেন আজিত তার গ্যাং এর মাধ্যমে সূক্ষ কৌশলে শরিফার পিতা কে হত্যা করে।সোলে আক্তার, পিতা – শুভা মিয়া, গ্রাম- সাখুয়া, থানা- ত্রিশাল- জেলা- ময়মনসিংহ , তাকেও একইভাবে ধর্ষণ করে, সেও এক ছেলে সন্তান জন্ম দেয় ও ছেলে সন্তান নিয়ে, দীর্ঘদিন নিরুদেশ থেকে এলাকায় এসে বার বার এলাকার জনপ্রতিনিধির কাছে বিচার চেয়ে না পেয়ে, অপমান, লাঞ্ছনা আর অভাবে জীবন কাটাচ্ছে । শরিফা আক্তার , পিতা- মোসলেম উদ্দিন, গ্রাম-বিশ্নপুর, থানা- ত্রিশাল- জেলা- ময়মনসিংহ,এই মেয়ে কে অপহরণ করে ধর্ষণ করে ও বিষয়টি জানাজানি হলে কিছু মাস্তানদের অর্থ দিয়ে বিষয়টি ধামা চাপা দেয় , তবে যখন মোসলেম উদ্দিন মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন মোসলেম মারা যায়, তাকেও একই ভাবে আজিত তার গ্যাং এর মাধ্যমে সূক্ষ কৌশলে হত্যা করেছে বলে অনেকেই ধারনা করেন। আকলিমা বেগম ও ফরিদা বেগম, জামালপুর, শহরের আপন দুই  বোন সৎমায়ের অত্যাচারে বিষণ্ণ। দুই বোন কে সৌদি আরব তার মেয়ের কাছে পাঠানোর কথা বলে ঢাকায় নিয়া আসে, মানুষের বাসায় কাজ করে দুই বোনের কষ্টের জমানো টাকা  বিমান টিকেটের কথা নিয়ে নেয়, এরপর ফ্লাইট দেরি হবে, এই বলে আকলিমা কে আজিত গাজীপুর তার বোন জরিনার বাসায় ও ফরিদা কে তার ছেলে আরিফ তার সহযোগীর বাসায় উঠে, এবং দুই বোনই ধর্ষিত হয়,এর পর তাদের ভাগ্যে কি হয়েছে আজও জ্জানা যাইনি ।দুই মাস পর আকলিমা  ও ফরিদার পিতা আজিতের বাড়ি এসে মেয়েদের সন্ধান চান , আজিতের ছেলে আরিফ সৌদি আরব তার বোন আসমা কে ফোন দেয় ও লোকটিকে তার মেয়েদের কাছে নিয়ে যাবার জন্য বের হয়, এর একমাস পর ঐলোকের স্ত্রী এসে তার স্বামীর সন্ধান চাই। কিন্তু আজিতের ছেলে আরিফ বলে তার স্বামী এখানে আসেনি। এভাবেই বিভিন্ন জায়গআহতে চল্লিশ ও বেশি হতদরিদ্র পরিবার বা আত্মীয় এসেছে কেউ হয়ত তার বোন, কেউ তার কন্যা কেউ তার স্ত্রী । এর মধ্যে প্রতিবন্ধী নারী ও শিশু ও রয়েছে। আজিতের বখাটে ও সন্ত্রাসী দুই ছেলে আজিতের চেয়েও ভয়ংকর, তার ছেলে আরিফকে মেয়েদের কে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানীর জন্য স্থানীয় স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয় । অতঃপর অন্যত্র আবার ভর্তি হলেও সহপাঠীদের মোবাইল চুরি শুরু করে ও কিছু সহপাঠীদের কে তার অপরাধ জগতের সাথে সম্পৃক্ত করে ও স্কুল ছুটির পর ঐ সহপাঠীদের নিয়ে বন্যা ব্রিজ নামক এলাকায় যেত ও সন্ধ্যার পর পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাই ও ডাকাতি করত, পাশাপাশি সি এন জি , বাইক চুরি সহ অপহনের মত ভয়ংকর অপরাধে জড়িয়ে পরে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া চুরির বাইক নিয়া জনতার হাতে ধরা পরে হাজত খেতে ছাড়া পায়, ময়মনসিংহ রেল জংশনে সঙ্গী সহ মাদক নিয়ে জি আর পি , র হাতে আটক আরিফ হন , স্থানীয় বাজার গুলতে মাদক ও নকল টাকা ছালান দিত এই আরিফ। আরিফ বরগুনার নয়ন বন্ডে চক্রাম্পুরের মনায়েম হত্যা মামলার প্রধান আসামি তারুর   বন্ধু , তারু বেশ কিছুদিন আজিতের আরিফের সাথে  এক  কক্ষে অবস্থান করে আত্যগুপনে ছিল,  সে বিভিন্ন আন্তঃনগর অপরাধ গ্যাঙ্গের সাথে সম্পৃক্ত বলে কয়েকবার পুলিশ তাকে খুজেছে ও  এই আরিফ এই পর্যন্ত ২৪ বার পুলিশের হাতে আটক হয়েছে নানা অপরাধে। রহেস্যজনক কারনে বারবার ছাড়া পাচ্ছে।  গফরগাঁও ও স্থানীয় বিশ্নপুর গ্রামে সি এন জি চুরির অভিযোগ উঠে আজিত ও তার দুই ছেলের নামে, ত্রিশালের ছিলিমপুর থেকে এক মেয়ে কে অপহরণ করে পালানোর সময় স্থানীয় জনতা আজিতের ছেলে আরিফ কে তার সঙ্গী সহ আটক করে ও হাজত বাসের পর ছাড়া পায়, নিজ গ্রামের প্রতিবেশি এক ছেলে কে অপহরন করার সময় আরিফ ও ফরিদ তার গ্যাং সহ স্থানীয় চকরামপুর বাজারে আজিত সহ আটক হয় তবে ওখান থেকে গনধুলাই খেলে আজিতের আশ্রয়দাতারা ছারিয়ে আনে।বিভিন্ন স্থান থেকে বাসায় কাজ দেবার কথা বলে প্রতিবন্ধী মেয়েদের কে ধর্ষণ করে তারপর তাদের কে কোথায় নিত ও তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে কাউ জানেনা, স্বজনেরা খুজ নিতে আসলে বলত আপনার মেয়ে পাগল কোথায় গেছে কিভাবে বলব , নিজের পাশের বাড়ির মাহমুদা নামে এক প্রতিবন্ধী মেয়েকে এই আরিফ ধর্ষণ করে ও মামালা হয়, মামালা  নং ত্রিশাল থানা জি আর মামলা নং ৩৭/১৫, তারিখ ৩০/০৭/১৫,  একদিকে বিভিন্ন উপায়ে ভয় দেখানো ও বাদিকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে মাহমুদা কে বিয়ে করবে সে, ও ঢাকায় আত্যগোপনে চলে যায় , ঢাকা থেকেও ছিনতাই, চুরি ও ধর্ষণের মামালা মাথায় নিয়ে বাড়ি ফিরে ও  তার আসল আশ্রয়দাতা বি এন পি এর  সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি সুরহাব মেম্বারের ছেলে অস্ত্র, মাদক ও ছিনতাই  মামলায় সদ্য কারামুক্ত সন্ত্রাসী ( সাবেক ময়মনসিংহ কারিগরি কলেজের বি এন পির সহ সংগঠন –ছাত্রদল নেতা, বর্তমানে এলাকার স্বঘোষিত যুবলীগ নেতা, যুবলীগের ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক নির্বাচন করেছেন) শিবু ফকির  উকিল বাবা হয়ে অন্যত্র বিয়ে দেয় এই ধর্ষক আরিফের,হত দরিদ্র পিতা, আজিত ও তার ছেলের অর্থ ও সন্ত্রাসী গ্যাং এর সাথে টিকতে পারেনি, মামলাও চালাতে পারেনি সে। আজিত তার নিজ মেয়ের কন্যা মিতু কে যে তাদের বাড়িতেই বড় হয়েছে সে মেয়েকে সে ও তার দুই ছেলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে, মেয়েটি যখন এই কথা মোবাইলে তার বাবা কে বলে ও তার বাবা বলে মামলা করবে তখন আজিতের স্ত্রী মেয়ে কে প্রতিশ্রুতি দেয় টাকা দিয়ে ভাল ছেলের সাথে বিয়া দিবে কিন্তু মেয়ের বাবা লাল মিয়া মামলা করার প্রস্তুতি নিলে মেয়ে কে দিয়ে তাকে ডেকে এনে বিরানি খাওয়ায় ও লাল মিয়া ওরফে লালু পগল হয়ে যায় ও বেশ কয়েক মাস আগে মারা যায় । ভালুকা ও ত্রিশালের মধ্যবর্তি স্থানে পুলিশ কে গুলি করে হত্যায় আজিত ও তার দুই ছেলে গ্যং সহ আক্রমন করে বলে আজিতের ছেলে আরিফ অনেকের কাছে বলে কারন এই কাজের জন্য তাদের কে নাকি তার বোন আসমা টাকা পাঠায়। এইসব কাজের জন্য আসমার মাধ্যমে সৌদি থেকে টাকা আসে। আজিতের ছেলে আরিফ বেশ ক’বার ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্রগ্রাম অস্ত্র ও ইয়াবা নিয়া গ্রেফতার হয়। একবার যাত্রাবাড়ী এলাকায় নকল টাকা নিয়া গ্রেফতার হয়। দুলাইখাল ও গেণ্ডারিয়া থেকে ৫ টি চুরাই মোটর বাইক নিয়া গ্রাফতার হয় এক সাথে আজিত তার দুই ছেলে ও তার দুই শালা। আজিত তার দুই ছেলে ও তার স্ত্রী ফজিলা ৭ জন মেয়ে সহ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে গ্রেফতার হয়, ওই মেয়েদেরকে পতিতা পল্লীতে বিক্রির জন্য নিয়া যায়, ফেরিতে ওঠে মেয়েরা কান্নাকাটি করলে এই ঘটনা ঘটে কারন অদের কে সৌদির উদ্দেশে বিমানে ওঠানর কথা বলে ওখানে নিয়ে যায়।  এই আজিত ও তার দুই ছেলের অত্যাচারে আজিতের আপন ভাই রফিকুল ইসলাম ওরফে রফি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঘর বাড়ি জমি ফেলে নির্বাসিত বহু বছর ধরে । আজিতের ছেলে ফরিদ এলাকা সহ বিভিন্ন মসজিদ থেকে ঘড়ি ও জুতা চুরি করে গনধুলাই খেয়ে কয়েকবার  হাজত বাস করে । এই ফরিদ ও ধীরে ধীরে আরিফের সহযোগী হয়ে উঠে। একই সাথে  আজিত ও তার দুই ছেলে আরিফ ও ফরিদ , সাথে দুই জন নারী আজিতের স্ত্রী ফজিলা ও তার মেয়ে আসমা ( সৌদি প্রবাসী) রয়েছে বিভিন্ন স্পট গ্যাং। প্রশ্ন হচ্ছে আজিত ও তার ছেলে আরিফ অপরাধ করছে  পুলিশ ধরছে, ছেড়ে দিচ্ছে,  মামলা হচ্ছে পুলিশ ধরছে ছেড়ে দিচ্ছে, এর পর বাদি নিখোঁজ/ খবর নাই, মামলারও খবর নাই । যার ফলে বাদিগন সর্বস্বান্ত হয়ে আর বিচারের আশা না করে  উলটো ভয়ে থাকে কখনো সে কিডন্যাপ বা গুম হয়ে যায়, বাড়িতে চুরি, ডাকাতি হয়ে যায় ! তবে অধিক আতংকের বিষয় হচ্ছে যে আজিতের মেয়ে আসমা বিরাট বড় অংকের টাকা  পাঠাইছে এই টাকা খরচ হবে ১৫০ জন কে হত্যার জন্য এবং এই টাকা যাদের  কাছ নিচ্ছে তাদের বলেছে ইসলাম ও জিহাদ বিরোধী  ১৫০ জনকে জমিন থেকে বিদায় করতে হবে ।  এর মধ্যে লালু, মুসলেম, বাবুপুরের জালালসহ ১৭ জন শেষ,  বাকি যে কজন আছে  আর এই কাজে লোক নিয়োগ দিতেই নাকি আসমা ও ফারিদ বাংলাদেশে আসে ও আরিফ , আজিত কে বুজিয়ে দিয়ে তারা চলে যায়, এবার সব চূড়ান্ত করে আরিফ ও চলে যাবে সৌদি যাতে কেউ বুজতে না পারে , এর পর তাদের গ্যাংরা কখন কি করছে ও টাকা লেন দেন এগুলু করবে আজিত, তার স্ত্রী ফজিলা, ও আরিফের শ্বশুর ও সমদ্ধি। আরিফের তৈরি হত্যার লক্ষ্য  তালিকায় নামের  লিস্টঃ যা তার ফেইস বুক গ্রুপে তার  গ্যাং ফ্রেন্ড ও তার বোনের সাথে শেয়ার কথুপকথনে পাওয়া যায়,  সামসুদ্দিন মাউলানার মেয়ে শরিফা ও  শরিফার মেয়ে।ও  শরিফার ভাই শফিকুল  কালা  সরকারের ছেলে মুস্তাফা  মুস্তফার ভাই মাওলানা , আহম্মদ ও মহাম্মদ  , মহাম্মদের মেয়ের জামাই এরা সকলেই বাবুপুর নিবাসি।  মুসলেম , মুসলেমের মেয়ে – আজিত যাকে অপহরণ ও ধর্ষণ করে   তার আপন বোন জরিনা   মুসলেমের  ভাই  মুকলেছ মুন্সি,  লালু,  এরা সবাই বিস্নপুর নিবাসি,   শেখ বাজার এলাকার আজিতের দ্বরা ধর্ষিত সুলে বেগম ও  সুলের ছেলে সুমন,  সুলের মামা,  গাড় পাড়ার গরু বিক্রেতা ,  রামপুর  তালুকদার বাড়ি ৩ জন  চিরাতল পার ২ জন  মুক্তা গাছার ৪  মহিলা, তার আপন ভাই রফি ও  রফির ছেলে মিলন , তার সৎ ভাই  ৩ জন , শিরু ,  শিরুর প্রতিবন্ধি মেয়ে মাহমুদা, শিরুর ভাই শফি, ভালুকায় সচিব মুস্তাফিজের এক ভাগ্নি ও ভাগ্নির জামাই,  মুড়ল বাড়ি এলাকার আরিফের সাবেক দুই বন্ধু,  রুস্তু , হালি এই দু জন সম্পরকে আজিতের চাচা, হালির ছেলে জহুরউদ্দিন, চান্দের ছেলে দুলালা, আজু, জালাল, এছাড়াও লিখেছে তাদের ঘরের উত্তর ও দক্ষিণের ৫ লিখেছে দুস্ত টাকার চিন্তা করবিনাএক সাথে সব বললাম না আরও ৫০/৬০ জন নাকি দূর – দুরান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে , তবে  ১০/১৫ জন এক বারে হিট লিস্টে কোন ভাবেই বাদ দেওয়া জাবেনা না।  মেসেজ  মুছে দিলেও স্ক্রিন শর্ট আছে। জন গন  ভয়ে   নিরব  থাকলেও এদের গ্রেফতার করলে ভুক্তভুগিরা অভিযুগ  দায়ের করার ও সাক্ষী দেবার সুযোগ পাবে বলে  অনেকের সাথে কথা বলে জানা  যায়।  অনুসন্ধানে আরও অনেক ভংকর ও লুমহর্ষক তথ্য উথে এসেছে। তবে  নিরাপত্তা জনিত কারনে  অনেক স্থানে  অনেকের কাছে  যাওয়া যাইনি। এইসব  অপরাধ সম্পর্কে আজিত , তার ছেলে ও স্ত্রী, র বক্তব্য জানতে চাইলে আরিফ লুঙ্গি খুলে প্রতিবেদক কে তার গোপনাঙ্গ দেখায় আজিতের স্ত্রী দা দেখায় আর আরিফ বলে চেয়ারম্যান, মেম্বার, এম পি, ওসি , এস পি , ডি  সি  সব আমাদের কেনা তোর রিপোর্ট এ আমাদের কিছুই হবে না।

LEAVE A REPLY