মোজাম্মেল হক বীর প্রতীক’রা আজও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে…

0
116

তারা নিউজ ডেস্ক : বিশ শতকের অন্যতম সৎ দার্শনিক বারট্রান্ড রাসেল বলেছিলেন- “রাজনিতির উদ্দেশ্যে হওয়া উচিত ব্যক্তির জীবনকে যতদূর সম্ভব ভালো করে গড়ে তোলা”। কারণ, কোন ব্যাক্তির জীবনকে ভালো করে গড়ে তুলতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সততা। চিরন্তন সর্বশ্রেষ্ঠ গুণাবলী সত্যবাদিতাই পারে বৈশ্বিক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে। আজ এসব পরিবর্তন প্রত্যাশী মানুষ যখন কোনো রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চায়, তখনই তাকে সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রকাশ ও প্রমাণ করতে হবে।

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও যে রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও স্বচ্ছতা সেটাও সততা ও দেশপ্রেম কেন্দ্রিক ছিল বলেই নিশ্চিত। সততা ও দেশপ্রেমের কঠিন পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হয়েই তো বাংলাদেশের গর্বিত বঙ্গ সন্তান ও মুক্তিযুদ্ধের সারথীরা ১৯৭১ সালে ১৬ই ডিসেম্বরে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। আর সেদিনকার বিজয়ের সেই উত্তাপ আজো আমাদের বর্তমান প্রজন্মকে বিমোহিত করে। যাই হোক, অদ্য ২৪.১১.২০১৮ তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা সংগ্রামী ও কিংবদন্তী মুক্তিযুদ্ধা মোজাম্মেল হক বীর প্রতীক কে নিয়ে গণ অধিকার পরিষদ জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক গণ সংবর্ধণার আয়োজন করে। উক্ত গণ সংবর্ধণায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আব্দুল কাদের। উক্ত গণ সংবর্ধণায় প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরিফিন সিদ্দিক অনিবার্য কারণ বশত উপস্থিত না থাকলেও যাকে নিয়ে এই গণ সংবর্ধণা সেই অকুতোভয় বীর ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সারথী মোজাম্মেল হক বীর প্রতীক যথাসময়ে উপস্থিত থেকে আমাদের প্রজন্মকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। অধিকক্ত, মঞ্চে উপবিশিষ্ট আগত অতিথিবৃন্দের বক্তব্যে উঠে আসে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসীম ত্যাগ, তিতিক্ষা ও অসংখ্য জীবন বির্সজনের চিরন্তন সজিব ও সতেজ কাহিনী। যা বর্তমান প্রজন্মকে স্বাধীনতাত্তোর দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর পরও ব্যাপক ভাবে উজ্জীবিত করে শোষণমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে। আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও খেসারত, অর্থনৈতিক মুক্তি ও বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থা বির্নিমাণে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সারথী মোজাম্মেল হক বীর প্রতীকরা এখনও আমাদের পাথেয়। বাংলাদেশের চলমান গণতন্ত্র ও রাজনীতির দূর্বৃত্তায়ন ও অর্থনৈতিক বৈষম্য এমন এক পর্যায়ে এসে ঠেকেছে যে সেখান থেকে উত্তরণের আর কোন বিকল্প নেই। আর এসব বিকল্প পথের অনুসন্ধানী আছেন মোজাম্মেল হক বীর প্রতীকরা। যতদিন মোজাম্মেল হক বীর প্রতীকরা বেঁচে থাকবেন ততদিনও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়াস চালাবেন। অদ্য শনিবার গণ অধিকার পরিষদ অয়োজিত মোজাম্মেল হক বীর প্রতীকের গণ সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে সভাপতি তার সমাপণী বক্তৃতায় গণ অধিকার পরিষদকে একটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশের কথা ও অকপটে স্বীকার করেন।

LEAVE A REPLY