শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ফের নিয়োগ পেতে মরিয়া প্রধান প্রকৌশলী হানজালা

0
298
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা

তারা নিউজ ডেক্স : আবারও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাবার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান দেশের সবচেয়ে ২০১৬-২০১৭ সালের শীর্ষদূর্নীতিবাজ এবং দূর্নীতিতেও আলোড়ন সৃষ্টিকারী কর্মকর্তা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা। এই হানজালার চরিত্র ও গুনাবলী শৈশবকাল থেকেই দুর্বিসন্ধি ছিল। জন্মাদাতা মা-বোনদের সাথেও তার মিল মহব্বত ছিল না। তার জন্ম দাতা মা কষ্ট করেছেন তবুও এই সন্তানের অবৈধ আয়ের কারণে আহার মুখে দেননি। তার চরিত্র-স্বভাব, কার্য পরিধি কোনটাই ভাল লি না বলেই তার মা তার দুই বোনকে নিয়ে তার কাছ থেকে দূরে রাজধানীর শেষ সীমানায় সনির আখড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে। ছেলে অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে ঘৃণা দুঃখ নিয়ে পরোলোগমন করেন তার জন্মদাতা মা। এই হানজালা শুধু শিল্প প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মধ্যেই নয় বাহিরেও অবৈধ-অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত। অন্যের স্ত্রী সুন্দর নারীদের প্রতি লোভ-লালসা, জুয়া, মদ পান করা তার বড় নেশা ও পেশা যার ফলে নারীলোভী ও মদ পানের লোকজন যেকোন অবৈধ কাজ করতে দ্বিধাবোধ করে না বলেই প্রবাদ বাক্য রয়েছে। নেশাগ্রস্থ মানুষ সবসময় সুস্থ্য জীবন-যাপন করতে পারে না। তিনি নারী ও মদ দেখলে মাথা ঠিক থাকে না। সবসময় এই দুইটি দ্রব্য পাবার আশায় সর্বপ্রকার অবৈধ কাজে লিপ্ত থাকে। যখন একটু সুস্থ্য মন-মানসিকতা ফিরে পায় তখন এদের মুখ থেকে মিষ্টি, সু-মধুর ভাষা বের হতে থাকে। এরা অল্প সময়ের মধ্যেই যে কোন মানুষকে পটাতে পারেন। ভাল ব্যবহার করে যেকোন কাজ অল্প সময়ের মধ্যেই বাগাতেও পারেন তিনি। মানুষের মনের ভিতরে প্রবেশ করতে কয়েক সেকেন্ডের বেশি দরকার হয় না। ঠিক তেমনি রূপের মিষ্টি ভাষার লাবণ্য চেহারায় মানুষ পটানোর অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের শীর্ষ দূর্নীতিবাজ দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা। এভাবে হানজালা পটিয়ে একাধিক নারীর সুখের জীবন তছনত করে ফেলেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ সব ব্যাপারে তার মা প্রতিবাদ করায় তার সাথেও দূব্যবহার করে এব ফলে তার কাছ থেকে তার মা তার দুই বোন তাকে পরিচয় দিতে ঘৃণাবোধ করে ও তার অবৈধ অনৈতিক আয়ের অর্থও তারা ব্যবহার করেনা। কিন্তু হানজালার স্বভাব চরিত্রের এতে কোন পরিবর্তনও হয়নি। বরং মা-বোন দূরে যাওয়ায় ও তাকে পরিত্যাক্ত করায় সে উপকৃত হয়েছে। এর ফলে সে তার ইচ্ছা অনুসারে বিদেশ ভ্রমনসহ নারীদের নিয়ে নেশা করে আনন্দ-ফূর্তি করে বেড়াচেআছ বলেও একাধিক প্রমাণ রয়েছে। আর এসব কিছু করতে যে টাকার প্রয়োজন তা সরকারের বিভিন্ন শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে গোজামিল নিম্নমানের আসবাবপত্র দিয়ে ঠিকাদারদের কাজ থেকেও মিথ্যা বিল, ভাউচার করে। মেরামত কাজে অতিরিক্ত বিল করে এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৩% থেকে ১০% পর্যন্ত উৎকোচ নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিনই কোন না কোন পত্রিকায় তার দূর্নীতির ব্যাপারে খবর প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তু সরকারের নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা বা মন্ত্রীদের চোখে পড়ছে না এ ধরনের আচরণ দেখা যাচ্ছে। কারণ হানজালা একাতো আনন্দ ফূর্তি করে না। রাষ্ট্রীয় অনেক কর্মকর্তাদের ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তাদের সে প্রতিমাসে উপঢোকন দেয়। কিন্তু পত্রিকার অসাধু সম্পাদকদেরও উৎকোচ দিয়ে চতুর্দিক নীরব রাখার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একাধিক কর্মকর্তাদেরও নিয়মিত মাসিক মাসহারা দিয়ে নানান অভিযোগের কাগজপত্র নষ্ট করে ফেলেছে বলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানা যায়। এভাবে লোকদের অবৈধ পথের আয়ের অর্থ ব্যয় করে স্বপদে অদ্যাবধি বহাল রয়েছে। এই হানজালা বর্তমানে আবারও চুক্তিভিত্তিক এই অধিদপ্তরের দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধনীয় কমিটির উপদেষ্টার সাথে মন্ত্রীর পি-এস এর সাথে রীতিমত লিয়াজো রাখার জন্য নানান পথ অবলম্বন করছে। কিন্তু শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সততা, নিষ্ঠাবাণ কর্মকর্তারা হানজালার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে সরাসরি মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তা নাম না প্রকাশ শর্তে জনৈক কর্মকর্তা হানজালাকে মাফিয়া ডন বলে আক্ষায়িত করেছে। সে বললেন এতো খুবই খারাপ এর হাত থেকে উপরে হিন্দুদের মা, লক্ষীরানির মত অনেক হাত, আর ঠিকাদারগণ বলছে পুনরায় যদি একে নিয়োগ দেয়া হয় তবে উন্নয়নের চিত্র খাতাপত্রের মাধ্যমেই বহাল থাকবে আর বাহিরে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাবে। আর এর জন্য বর্তমান সরকারের একদিন জনসম্মুখে না হলেও আদালতে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে। কারণ শতাধিকের উপরে পত্রিকায়, চ্যানেলে হানজালার নামে দুর্নীতির, অপক্ষমতা ব্যবহারের খবর প্রকাশ করা হয়েছে। দূর্নীতি দমন কমিশন মন্ত্রণালয়ে এক ডজনের উপরে অভিযোগ দাখিল করা রয়েছে। ঠিকাদার সমিতির অধিদপ্তরের সামনে প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে সমাবেশ করছে। এরপরও সরকার ব্যবস্থা না নিয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে। এতেই অধিদপ্তরের ও শিক্ষা অনুরাগিরা বিস্মিত হয়ে পড়েছে। সবার মনে একই প্রশ্ন তবে মোহাম্মদ হানজালার ক্ষতার উৎস কোথায়? ফলে এ প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সৎ ও সচেতন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
সরকার যদি ফের হানজালাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় তবে মানুষ মনে করবে যে, ঐ প্রবাদ বাক্যটির কথা সঠিক বাস্তবায়ন হয়েছে। যেমন “চোরকে বলে চুরি করতে, আর গিরোস্তকে বলে সজাগ থাকতে” সরকারের উপর মানুষের আস্থা কমে যাবে ও শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মাঝে শান্তি ও শৃংখলাসহ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপর মানুষ আস্থা হারাতে পারেন। তাই সংশ্লিষ্টদের দাবী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যতদ্রুত সম্ভব নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই চিহ্নিত দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে আশু যথাযথ ব্যবস্থা হবে। এই সবার প্রত্যাশা।

LEAVE A REPLY