হাজীগঞ্জ উপজেলার স্বীকৃতি প্রাপ্ত রাজাকার বাংলাদেশের পতাকা জ¦ালানোকারীর পুত্র ও ক্যাসিনি ও জুয়ারী ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন গাজী এখন হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শত কোটি টাকার মালিক

0
11

তারা নিউজ ডেস্ক:
মোঃ মাঈন উদ্দিন গাজী, পিতা-মৃত গিয়াস উদ্দিন গাজী, গ্রাম-মকিমাবাদ, থানা- হাজিগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর। ১৯৯০ সালে মাঈন গাজী হাজিগঞ্জ বালুর মাঠে পিছনে রিক্সার গ্রেজে রিক্সার ঠিক করতো টং এর উপর বসিয়া। তাহারই পিতা গিয়াস উদ্দিন গাজী ১৯৭১ সালে হাজীগঞ্জ থানার শান্তি কমিটি (রাজাকারের) অন্যতম সদস্য ছিলেন। তৎকালীন এই রাজাকার গিয়াস উদ্দিন পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে যাইয়া গান গাইতো ও তাহাদেরকে যুদ্ধে উৎসাহিত করতো। তাছাড়া পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা আগুন দিয়ে জ¦ালাইয়া পাকিস্তানদের পতাকা মাথায় রাখিয়া উল্লাস করতো। এমনকি তৎকালীন ১৩ ও ২৫ বৎসরের যুবক ও ছাত্রদেরকে দেখা মাত্র গুলি করে মারতো পশ্চিমাদেরকে দিয়ে। তারই কুখ্যাত সন্তান মাঈন উদ্দিন গাজী আজকে হাজিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। হায়রে লজ্জা। এই মাঈন উদ্দিন বিবাহ করেন পাঞ্জাবীদের মেয়ে (বিহারী) তার স্ত্রীর নাম সুফিয়া আক্তার, কুমিল্লা। এই রাজাকারের পুত্রের কুমিল্লাতে ৩টি বাড়ী ও হাজিগঞ্জের ৪টি বাড়ী, নিজগ্রাম মুকিমাবাদে ১টি বাংলো রেষ্টহাউজ করেন। ঐ বাড়ীতে রয়েছে ৫টি হল। যাহার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। মিডিয়া হাসপাতালের পিছনে তার রয়েছে শত কোটি টাকার সম্পদ। এক কথায় বলা যায় এই রাজাকারের পুত্র আজ প্রায় ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছে। এই আয়ের উৎস, চাকুরী তদবির ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে অর্থ ও হাজিগঞ্জ রয়েল মার্কেটের এই রাজাকারের পুত্রের তত্ত্বাবধানের রয়েছে এক জুয়ার আসর (ক্যাসিনিওর ব্যাবসা)। প্রতিদিন কুমিল্লা, নোয়াখালী, রামগঞ্জ, ঢাকায় জুয়ারীরা বসে। এমনকি মাঝে মাঝে এক নেপালী জুয়ারী এই মার্কেটে পরিদর্শন করতে আসে। তার সাথে মাঈন উদ্দিন গাজী আসে। বিগত ২৪/০২/২০১৩ইং তারিখে হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এর নির্বাহী অফিসার মহোদয় একটি গেজেট প্রকাশ করে যে, মাঈন গাজীর পিতা গিয়াস উদ্দিন গাজী একজন স্বীকৃতি প্রাপ্ত রাজাকার। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে জনস্বার্থে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী সমর্থক পরিষদের আরাফাত হোসেন ২ অক্টোবর একটি আবেদন করেন।

LEAVE A REPLY