৩৭০ধারা বাতিলের মাধ্যমে দিল্লীর আধিপত্য ও হিন্দুত্ব বাদের কুৎসিত চেহারা প্রকাশ পেয়েছে-মুসলিম লীগ

0
41

তারা নিউজ ডেস্ক:
তৎকালীন মুসলিম লীগ সরকারের গভর্নর জেনারেল কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর কূটনৈতিক তৎপরতায় গণভোটের মাধ্যমে জম্মু কাশ্মীরের জনগণের মতামত নেয়ার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৯৪৮ সালের ১৩ই আগস্ট গৃহীত প্রস্তাবটি কার্যকর করেনি দিল্লী সরকার। জাতিসংঘের চাপে জম্মু ও কাশ্মীরের স্থায়ী অধিবাসীদের বিশেষ অধিকার দিয়ে সংবিধানের ৩৭০ধারা বাতিল করে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন ধর্মান্ধ ও মুসলিম বিরোধী ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের ৭২ শতাংশ মুসলিমদের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করেছে।

বক্তাগন বলেন ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর সেনাবাহিনী দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের দুই তৃতীয়াংশ দখল করার পর ১৯৪৭ সালের ২রা নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জহরলাল নেহেরু বেতার ভাষণে ঘোষণা করেন যে, জনগণই কাশ্মীরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে যা ছিল একটি রাজনৈতিক প্রতারণা। দখল করার পর থেকে বিগত ৭০বছর ধরে পর্যায়ক্রমে ভারতীয় তিনলক্ষ সেনা সদস্য ও দুই লক্ষ প্যারা মিলিশিয়া মোতায়েন করে স্বাধীনতাকামী লক্ষাধিক কাশ্মীরি তরুণকে নির্বিচারে হত্যা করে ভূস্বর্গ কাশ্মীরকে মুসলিমদের মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত করেছে।

গোটা ভারতের সংখ্যালঘু এবং জম্মু কাশ্মীরের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের রক্ষা করার জন্য বিশ্বের শান্তিকামী জনগণকে সোচ্চার হওয়া সহ মুসলিম বিশ্বকে অবিলম্বে তৎপর হয়ে দিল্লীর হিন্দুত্ববাদী সরকারের উপর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ১১.০০টায় ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা মহানগরী বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আয়োজনে “ভারতীয় সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু কাশ্মীরকে মুসলমানদের উচ্ছেদ করার পরিকল্পনার প্রতিবাদে” আয়োজিত মানব বন্ধন থেকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ আহ্বান জানিয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোশ খসে পড়া কট্টর হিন্দুত্ববাদী ভারতের আধিপত্যের নেশা যদি সকল শান্তিপ্রিয় জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখনই না রুখতে পারে ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার কোন রাষ্ট্রই আর নিরাপদ থাকবে না। ঢাকা মহানগরী মুসলিম লীগের আহবায়ক প্রকৌশলী ওসমান গনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আতিকুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, সহসভাপতি মোঃ কুদরতউল্ল্যাহ, অতিঃ মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান, কাজী এ.এ কাফী, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আসাদ, কেন্দ্রীয় নেতা শহুদুল হক ভূঁইয়া, এ্যাড. হাবিবুর রহমান, মামুনূর রশীদ, নূর আলম, আবদুল আলিম, কাওছার আহমেদ, বাংলাদেশ ইসলামী পার্টির সভাপতি মোঃ মহিউদ্দিন প্রমুখ।

LEAVE A REPLY